শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯

বোরো ধানে সেচসংকট উপায় কী?

বোরো ধানে সেচসংকট উপায় কী?
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বোরো ধানে সেচসংকটের খবর আসছে। কোথাও কোথাও সেচের পানির জন্য সড়ক অবরোধ ও মিছিল হচ্ছে। বিদ্যুতের ঘাটতি ও জ্বালানি তেলের দাম বেশি এবং সরবরাহ কম হওয়ায় সেচসংকট হচ্ছে। এই সুযোগে সেচপাম্পের মালিকেরা সেচের উচ্চমূল্য নেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে কৃষকেরা বোরো ধানে সঠিক পরিমাণে সেচ দিতে পারছে না। বোরো ধানে কুশি বৃদ্ধি পর্যায় থেকে কাইচ থোড় আসা পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানির প্রয়োজন হয়। পানির ঘাটতি হলে ফলন কম হয় এবং ধানে চিটা হয়। এ সময় বৃষ্টি হয় না বলে পানির স্তর ভূগর্ভে চলে যায়, যা গাছ গ্রহণ করতে পারে না। সেচের পানি বাষ্পীভবন, অনুস্রবণ, চুয়ানো, শোষণ ও পরিস্রবণ প্রক্রিয়ায় অপচয় হয়। সেচের পানির এই অপচয় রোধ করে কার্যকারিতা বাড়ালে অল্প সেচ দিয়েই গাছে পানির চাহিদা পূরণ করা যায়।
এর কিছু কৌশল এখানে উল্লেখ করা হলো-
* সেচনালা সম্ভব হলে পাকা করা উচিত। অন্তত এঁটেল মাটি দিয়ে লেপে দেওয়া যেতে পারে। সেচ নালায় পলিথিন কাগজ বিছিয়ে দিলেও পানি মাটিতে অনুস্রবণ, চুয়ানো ও শোষণ বন্ধ হবে।
* পুরোনো সেচনালার ছিদ্র, ভাঙা, পাড় উঁচু যাবতীয় সংস্কার ও মেরামত করতে হবে।
* মাঠ ফসল ও উদ্যান ফসলে নানা পদ্ধতিতে সেচ দিলে পানির অপচয় কম হয়।
* পরিমাণমতো সেচ দিতে হবে। এ জন্য সেচ দেওয়ার সময় জমির অবস্থা খেয়াল রাখতে হবে।
* রাতে সেচ দেওয়া প্রয়োজন। এতে পানি বাষ্পীভূত হয়ে বাতাসে কম যাবে। অপরদিকে রাতে বিদ্যুতের ভোল্টেজ বেশি থাকে।
যতটুকু সম্ভব সেচনালার দৈর্ঘ্য কমাতে হবে। এতে মাটিতে পানি শোষণের পরিমাণ কম হয়।
* একই নলকূপের অধীনের জমিগুলো সমতল হলে সব জমিতে সমান পরিমাণ পানি সরবরাহ হবে।
* মাটিতে জৈব পদার্থ দিতে হবে। জৈব পদার্থ মাটির পানি ধারণক্ষমতা বাড়ায়। ফলে পানি মাটির বেশি নিচে যাবে না।
* সেচনালা ফসলের জমির দিকে ঢালু রাখতে হবে।
* মাটির গঠন ও মাটির কণার আকার-আকৃতির ভিত্তিতে সেচ দিতে হয়। এতে পানির পরিমাণ অনুসারে সেচ দেওয়া যায়।
* জমির আইল শক্ত করে বাঁধা উচিত। সেচ দেওয়ার সময় মাঝেমধ্যে সেচনালা পরীক্ষা করতে হবে। ছিদ্র হলে সঙ্গে সঙ্গে ছিদ্র বন্ধ করতে হবে।
* সেচের খরচ কমানোর জন্য ঢেঁকিকল দিয়ে সেচের পানি উত্তোলন করা যায়। এতে বিশেষ কিছু সুবিধা আছে। যেমন-পানি উত্তোলনের জন্য বিদ্যুৎ বা জ্বালানি খরচ হয় না। একজন মানুষ খুব সহজে পা দিয়ে পানি উঠাতে পারে। ঢেঁকিকল দামে খুব সস্তা। অনেক দিন ব্যবহার করা যায়। প্রতি মিনিটে ৭৫ লিটার পানি তোলা যায়। মেরামত খরচ নেই বললেই চলে। পরিবারের সবাই পানি উঠাতে পারে। সেচের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করতে হয় না। এক মৌসুমেই মোট খরচের প্রায় তিন গুণ আয় করা যায়। ফসলের প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ দেওয়া যায়।
ফরহাদ আহাম্মেদ

লাভের সবজি কচুর লতি

লাভের সবজি কচুর লতি




বাংলাদেশে কচুর মুখী ও কচুর লতি জনপ্রিয় সবজি। এ ছাড়া কচুর শাক ও কচুর ডগা পুষ্টিকর সবজি হিসেবে প্রচলিত। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের এক হিসাব মতে, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে পানিকচুর চাষ হচ্ছে, যা থেকে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টন লতি পাওয়া যাচ্ছে। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে চাষ করা হলে উৎপাদনের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব। জাতঃ বাংলাদেশে লতিকচুর অনেক জাত থাকলেও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে অবমুক্ত লতিকচুর জাত ‘লতিরাজ’ চাষ বেশ লাভজনক।

মাটিঃ জৈব পদার্থসমৃদ্ধ পলি দো-আঁশ থেকে এঁটেল দো-আঁশ। বেলেমাটিতে রস ধরে রাখা যায় না বলে চাষের জন্য এ ধরনের মাটি ভালো নয়।

জমিঃ মাঝারি নিচু থেকে উঁচু যেকোনো জমি। বৃষ্টির পানি জমে না, কিন্তু প্রয়োজনে সহজেই পানি ধরে রাখা যায়।

জমি তৈরিঃ কচুর লতি পানিকচু থেকে পাওয়া যায়। লতি উৎপাদনের জন্য পানিকচুর জমি শুকনো ও ভেজা উভয় অবস্থাতেই তৈরি করা যায়। শুকনোভাবে তৈরির জন্য চার থেকে পাঁচটি আড়াআড়ি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে ও সমান করতে হয়। ভেজা জমি তৈরির জন্য ধান রোপণে যেভাবে জমি কাদা করা হয় সেভাবে তৈরি করতে হয়।

রোপণ সময়ঃ খরিপ মৌসুমে কচুর লতি পাওয়া যায় বা সংগ্রহ করা যায় বলে জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি মাস রোপণের জন্য উপযুক্ত সময়।

বংশবিস্তারঃ পূর্ণবয়স্ক পানিকচুর গোড়া থেকে যেসব ছোট ছোট চারা উৎপন্ন হয় সেগুলোই বীজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

চারা রোপণ পদ্ধতিঃ পানিকচুর চারা কম বয়সী হতে হয়। চার থেকে ছয় পাতার সতেজ চারাগুলোই রোপণের জন্য নির্বাচন করতে হয়। রোপণের সময় চারার ওপরের দুই থেকে তিনটি পাতা রেখে নিচের বাকি সব পাতা ছাঁটাই করে দিতে হয়। চারার গুঁড়ি বা গোড়া বেশি লম্বা হলে কিছুটা শিকড়সহ গুঁড়ির অংশবিশেষ ছাঁটাই করে দেয়া যেতে পারে। সারি থেকে সারি ৬০ সেন্টিমিটার এবং গাছ থেকে গাছ ৪৫ সেন্টিমিটার দূরত্বে চারা রোপণ করতে হয়। চারা রোপণে মাটির গভীরতা ৫ থেকে ৬ সেন্টিমিটার রাখতে হয়।

পরিচর্যাঃ গুঁড়ি থেকে চারা উৎপন্ন হওয়ার পর যদি মূল জমিতে চারা রোপণে দেরি হয় তাহলে সেগুলো ভেজা মাটি ও ছায়া আছে এমন স্থানে রেখে দিতে হয়। চারাগুলো আঁটি বেঁধে বা কাছাকাছি রাখতে হয়। রোপণের সময় বা পরে কিছু দিন পর্যন্ত জমিতে বেশি পানি থাকার কারণে যাতে চারা হেলে না পড়ে সে জন্য মাটি কাদা করার সময় খুব বেশি নরম করা উচিত নয়। গাছ কিছুটা বড় হলে গোড়ার হলুদ হয়ে যাওয়া বা শুকিয়ে যাওয়া পাতা সরিয়ে ফেলতে হয়। ক্ষেতের আগাছা পরিষ্কার করে জমি পরিচ্ছন্ন রাখতে হয়। রোপণের এক থেকে তিন মাসের মধ্যে ক্ষেতে কোনো প্রকার আগাছা যেন না থাকে সে দিকে লক্ষ রাখতে হয়। পানি কচুর গাছে লতি আসার সময় ক্ষেতে পানি রাখা উচিত নয়। তবে একেবারে শুকনো রাখলেও আবার লতি কম বের হয় বা লতির দৈর্ঘø কম হয়। সে জন্য জো অবস্থা রাখতে হয়। সার প্রয়োগঃ হেক্টর প্রতি জৈবসার ১৫ টন, ইউরিয়া ১৫০ কেজি, টিএসপি ১২৫ কেজি, এমওপি ১৭৫ কেজি ব্যবহার করতে হয়। ইউরিয়া ছাড়া অন্যান্য সার জমি তৈরি শেষ চাষের সময় ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হয়। ইউরিয়া সার দুই কিস্তিতে রোপণের ৩০ দিন ও ৬০ দিন পর সারির মাঝে ছিটিয়ে দিয়ে হালকা সেচ দিতে হয়। জমিতে দস্তা ও জিংকের অভাব থাকলে জিংক সালফেট ও জিপসাম সার হিসেবে ব্যবহার করতে হয়। জয়পুরহাট অঞ্চলের লতিকচুর চাষিরা প্রতিবার লতি সংগ্রহ করার পর ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করেন।


সেচ ও নিকাশঃ এটি একটি জলজ উদ্ভিদ হলেও দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। বিশেষ করে লতি উৎপাদনের সময় পানি ধরে রাখা ঠিক নয়। পানি থাকলে কম বা না থাকলে (শুধু জো অবস্থা থাকলে) বেশি লতি বের হয়।


খোন্দকার মেসবাহুল ইসলাম কৃষিবিদ

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯

আমের যখন মুকুল ঝরে

আমের যখন মুকুল ঝরে







ফুল আসার ১৫ দিন আগে পর্যাপ্ত সেচ দিতে হবে। টিএসপি ও এমপি সার দিতে হবে দুই-তিন বছর বয়সের গাছে ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম, চার-পাঁচ বছর বয়সের গাছে ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম, ছয়-সাত বছর বয়সের গাছে ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম, আট-নয় বছর বয়সের গাছে ৫০০ থেকে ৮০০ গ্রাম এবং ১০ বছরের ঊর্ধ্বে ৮৫০ থেকে এক হাজার ২০০ গ্রাম প্রতি গাছে। ফুল ফোটার সময় মেঘলা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া থাকলে পুষ্পমঞ্জরিতে পাউডারি মিলডিউ ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগের আক্রমণ হতে পারে। এতে গাছের পাতা, কচি ডগা, মুকুল ও কচি আমে কালো দাগ পড়ে।
প্রতিকার হচ্ছে মুকুল আসার ১০ দিনের মধ্যে একবার প্রতি লিটার পানির সঙ্গে ১ মিলিলিটার রিপকর্ড বা সিমবুস ১০ ইসি এবং ০·৫ মিলিলিটার টিল্ট ২৫০ ইসি একত্রে মিশিয়ে আমের মুকুল, পাতা, কাণ্ডে স্প্রে করতে হবে। প্রাকৃতিক পরাগায়ণের জন্য আম বাগানে মৌমাছি পালন, বাগানের চারদিকে ফুলের গাছ রোপণ এবং বাগানে বিভিন্ন জাতের আমগাছ লাগানো প্রয়োজন। আমগাছে মুকুল আসার সময় হপার পোকা কচি অংশের রস চুষে খায়। ফলে মুকুল শুকিয়ে বিবর্ণ হয়ে ঝরে পড়ে। এ ছাড়া রস চোষার সময় পোকা আঠালো পদার্থ নিঃসৃত করে। এতে ফুলে পরাগরেণু আটকে পরাগায়ণে বিঘ্ন ঘটে। এ পোকা দমনের জন্য রিপকর্ড বা সিমবুস ও টিল্ট আগের নিয়মে স্প্রে করতে হবে। ত্রুটিপূর্ণ পূর্ণাঙ্গ ফুল এবং বর্ধিষ্ণু ভ্রূণের পুষ্টিহীনতা দূর করার জন্য মুকুল ধরার ১৫ দিন আগে উপরিউক্ত নিয়মে সার প্রয়োগ করতে হবে।
একই ডালে অনেক ফল ধরলে পুষ্টির জন্য ফলগুলো প্রতিযোগিতা করে বলে ফল ঝরে যায়। অতিরিক্ত ফল পাতলা করে দিতে হবে।হরমোন ও রাসায়নিক পদার্থ স্প্রে করলেও আমের মুকুল ও কচি আম ঝরে পড়া থেকে রক্ষা করা যায়। যেমন-আমের মুকুল গুটি বাঁধার দুই সপ্তাহ পর ২০ পিপিএম মাত্রায় ২৪-ডি স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। আমের গুটি মসুর দানার মতো বড় হলে ১০ লিটার পানিতে দুই থেকে তিন মিলিলিটার প্লানোফিক্স স্প্রে করলে ফল ঝরা বন্ধ হয়।আমের ভেতর পোকাঃ প্রতিবছর টাঙ্গাইল, জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুরসহ বিভিন্ন জেলায় আমের ভেতর পোকা থাকে। আমের বাইরে খোসায় কোনো চিহ্ন বা দাগ না থাকলেও ভেতরে জীবন্ত বড় বড় পোকা দেখে সবাই বি্নয় প্রকাশ করে। এ পোকা প্রতিরোধের এখনই উপযুক্ত সময়। এ পোকা দমন করতে হবে মুকুল ধরার আগে কিংবা মুকুল ধরার সময়। আমের ভেতর একমাত্র ম্যাঙ্গো উইভিল নামের পোকা থাকে। আশ্চর্যের বিষয় হলো আমের ত্বকে কোনো ছিদ্র থাকে না, এত বড় পোকা কীভাবে আমের ভেতর ঢুকল এবং আবদ্ধ অবস্থায় কীভাবে বেঁচে থাকে? আমের যখন মুকুল ধরে, তখন এ পোকা মুকুলে ডিম পাড়ে। মুকুল থেকে কচি আম হওয়ার সময় ফুলের ভেতরই ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়ে সঙ্গে সঙ্গে এটি কচি আমের ভেতর আস্তে আস্তে ঢাকা পড়ে। আমের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এর ভেতরে পোকাও বড় হতে থাকে।
পোকা আমের ভেতর আম খেয়ে বেঁচে থাকে। সাধারণত মুকুল ধরার সময় তাপমাত্রা ২৫ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা একটু বেশি এবং উচ্চ আর্দ্রতা থাকলে এ পোকা আক্রমণ করার আশঙ্কা বেশি থাকে। এক বছর আক্রমণ করলে প্রতিবছরই এ পোকা আক্রমণ করে। আমের ভেতর পোকা ঢুকে গেলে দমনের কোনো ব্যবস্থা নেই। এটি দমনের জন্য প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১৫ মিলিলিটার ম্যালাথিয়ন বা সুমিথিয়ন মিশিয়ে মুকুল ধরার সময় মুকুলে স্প্রে করতে হবে। অথবা ৩০ মিলিলিটার ডায়াজিনন বা ১৫ মিলিলিটার ডাইমেক্রন প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে মুকুলে স্প্রে করতে হয়। এ ছাড়া আমগাছের নিচে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ডিমের গাদা নষ্ট করতে হবে। আক্রান্ত আমগাছের নিচে পড়ে থাকা পাতা ও মুকুল পুড়িয়ে ফেলতে হবে। মুকুল ধরার সময় এলাকার সব আক্রান্ত গাছে একসঙ্গে কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। অন্যথায় যে গাছে স্প্রে করা হবে না, সেই গাছে অন্য গাছ থেকে পোকা আক্রমণ করবে। এ ছাড়া আমের ফলন বাড়াতে হলে বছরে অন্তত দুবার সুষম মাত্রায় সার দিতে হবে। সেচ দিতে হবে প্রতি মাসে একবার। অপ্রয়োজনীয় ডালপালা ছেঁটে দিতে হবে। আমগাছের স্বভাব হচ্ছে প্রতি ডালে এক বছর পর পর আম ধরে। এ জন্য কোনো গাছে এক বছর ফলন ভালো হলে অন্য বছর ফলন কম হয় অথবা হওয়ার আশঙ্কা বেশি। গত বছর আমের ‘অফ ইয়ার’ ছিল, এ বছর প্রচুর মুকুল ধরার সম্ভাবনা আছে। ফলে মুকুল টিকিয়ে রাখার জন্য উপরিউক্ত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।


ফরহাদ আহাম্মেদ